ফরিদপুর ভাঙ্গায় পৃথক অভিযানে ৪১ কেজি গাঁজা ও ৭১ বোতল উইনসেরেক্মস সিরাপ’সহ ২ মাদক ব্যবসায়ীকে কাভার্ড ভ্যানসহ গ্রেফতার করেছে এসআরবি- ১০।
ইশরাত জাহান ইমু :- ফরিদপুর ভাঙ্গায় পৃথক অভিযানে ৪১ কেজি গাঁজা ও ৭১ বোতল উইনসেরেক্মস সিরাপ’সহ ২ মাদক ব্যবসায়ীকে কাভার্ড ভ্যানসহ গ্রেফতার করেছে এসআরবি- ১০।
স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। মাদকদ্রব্যের ভয়াল ছোবল থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষার লক্ষ্যে এসআরবির নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গতকাল ০৬/১১/২০২৬ তারিখ ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানা এলাকা হতে বিপুল পরিমান মাদকসহ মাদক চক্রের ০২ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে এসআরবি-১০।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসআরবি-১০, সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল গতকাল ০৬/১১/২০২৬ তারিখ দুপুর অনুমান ১২:২৫ ঘটিকায় ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানাধীন ভাঙ্গা টোল প্লাজার পশ্চিম পাশে ঢাকা টু বরিশাল মহাসড়কে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে একটি কাভার্ড ভ্যান তল্লাশি করে ৪১ (একচল্লিশ) কেজি গাঁজা যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১২,৩০,০০০/- (বারো লক্ষ ত্রিশ হাজার টাকা সহ ০১ জন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম মোঃ মাইনুল ইসলাম (৩৬), পিতা- মোঃ রফেস মীর, সাং- পৈকখালী, থানা- ভান্ডারিয়া, জেলা- পিরোজপুর বলে জানা যায়। এ সময় আটককৃত ব্যক্তির নিকট হতে মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের নগদ ৩১,১৮৫/- ও ০১টি মোবাইল ফোন এবং মাদক বহনে ব্যবহৃত কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করা হয়।
অপর একটি অভিযানে গতকাল ০৬/১১/২০২৬ তারিখ দুপুর আনুমানিক ১৪:৩০ ঘটিকায় ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানাধীন ভাঙ্গা টোল প্লাজার পূর্ব পাশে খুলনা টু ঢাকা মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী বাস তল্লাশি করে ৭১ বোতল উইনসেরেক্স সিরাপ, যার আনুমানিক মূল্য ২,১৩,০০০/- (দুই লক্ষ তেরো হাজার টাকা) সহ ০১ জন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম মোঃ আলী হোসেন (৫৬), পিতা- মৃত হাসেম ভূইয়া, সাং- কোলকাতা ভোগদীয়া, থানা- লৌহজং, জেলা- মুন্সিগঞ্জ বলে জানা যায়। এ সময় আটককৃত ব্যক্তির নিকট হতে মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের নগদ ৯০০/- ও ০১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
প্রকাশ থাকে যে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তারা দীর্ঘ দিন যাবৎ দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা হতে অবৈধভাবে গাঁজা ও উইনসেরেক্স সিরাপ’সহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সংগ্রহপূর্বক ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিল। উদ্ধারকৃত মাদকসহ গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজুর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এসআরবি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, “মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স” নীতির বাস্তবায়ন ছাড়া সমাজে শান্তি ও উন্নয়ন সম্ভব নয়। এসআরবি-১০ মাদক নির্মূল অভিযানে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও মাদক, অস্ত্র, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে এসআরবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।
Array