রূপগঞ্জে এখনও নিয়ন্ত্রণহীন গাজী বাহিনী, চলছে লুটপাট হামলা
রূপগঞ্জ,নারায়নগঞ্জ :- নারায়নগঞ্জের রূপগঞ্জে মুড়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের রাস্তাঘাট, কালবার্ট, মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান খাল ক্ষরণ সহ বিভিন্ন গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের নামে প্রকল্পের ৪০ থেকে ৫০ পার্সেন্ট টাকা লুট করেছে বলে ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যানে সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠেছে। মাসের পর মাস ইউনিয়ন পরিষদের টাকা লুটপাট চলতে থাকলে প্রতিবাদ আর ক্ষোভে ফুসে ওঠেছে ইউপি সদস্যরা। প্রতিবাদ করলে আওয়ামীলীগ ট্যাগ দিয়ে রাজনৈতিক মামলায় জড়িয়ে হয়রানির হুমকি দিয়ে জিম্মি করা হয় ইউপি সদস্যদের। তা ছাড়া ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান নিজেও গাজী সহ একাধিক মামলার সাথে ১৭ নাম্বার আসামি এই সাইদুর রহমান, দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে, প্রশাসনের নাকের ডগায়, লুটপাটের বিরুদ্ধে তদন্তপুর্বক বিচার চেয়ে উপজেলা প্রশাসন,জেলা প্রশাসক ও অনেকে অভিযোগ রয়েছে এর বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী ইউপি সদস্যরা। প্রতিদিন খবর কে জানান
আমরা দীর্ঘদিন যাবত আওয়ামী লীগ সরকার যাওয়ার পর ওয়ান পার্সেন্টে কাজগুলো টিআই ওর অফিসের মাটি ভরাটের এই ধরনের প্রকল্প পিআইসি যতো উন্নয়ন প্রকল্প আছে সবই ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বাইরে কেউ করতে পারে না,
অভিযোগ থেকে জানা যায়, সাইদুর রহমান ইউপি সদস্য ১নং ওয়ার্ড মুড়াপাড়া ইউনিয়ন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রী গাজীর মধ্যে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পর্ক ও দীর্ঘদিন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করে আসছে বলে জানা গেছে। তাই ২০২০ সালে ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের ভোটে আওয়ামীলীগ ১নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক ও প্যানেল চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করে আসেন, তারপর থেকেই শুরু হয় সাইদুর রহমানের স্বৈরাচারি কর্মকান্ড। গেল ২০২৪ সালের ৫ই আগষ্টের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তীতে আগষ্ট মাসে মুখোশ পাল্টে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্বপালন শুরু করেন ওয়ার্ড আওয়ামী সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান । তখন থেকেই শুরু করেন স্বেচ্ছাচারিতা, স্বৈরাচারিতা, লুটপাট। একক সিদ্ধান্তে পরিচালনা শুরু করেন ইউনিয়ন পরিষদের সকল কার্যক্রম। ইউপি সদস্যদের সাথে বৈরি আচরণ করা,ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পালিত সন্ত্রাসীদের দিয়ে ইউপি সদস্যদের উপর হামলা করা অভিযোগ আছে , বিএনপি’র বড় নেতার ছত্রছায়ায় নাকি চলছে এসব কর্ম কান্ড পরবর্তীতে উল্টো মামলার ভয় দেখিয়ে হয়রানি করা, কয়েকজন ইউপি সদস্যকে গ্রেফতার করা হয় এই অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের অর্থ আত্বস্বাৎ করা যেন তার নিয়মে রূপ নেয়।
ভুক্তভোগী ইউপি সদস্যরা বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়নের জন্য উপজেলা থেকে পিআইসি (PIC) প্রজেক্ট থেকে প্রতি প্রকল্পে ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। অথচ ২ লাখের মধ্যে ৫০% টাকা রেখে মেম্বারদের দেয়া হতো ১ লাখ টাকা। সেই ১ লাখ টাকার মধ্যেও কর্তন হয় ৫ হাজার টাকা সিকিউরিটি মানি।
মুড়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে একটি গেট নির্মাণের ওয়ান পার্সেন্টনে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়, কিন্তু এখানে দেখা গেছে দুইটি পিলিয়ার আগে থেকেই নির্মাণ ছিলো । তদন্তে এটা উঠে আসে তাহলে এই দশ লাখ টাকা ওয়ান পার্সেন্ট, কোথায় ব্যয় করেছেন এই অর্থ ।
একাধিক ইউপি সদস্যের অভিযোগ তাদের হেনস্তা করে জেলেও প্রেরণ করেন,এই ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইউপি সদস্য সাইদুর রহমান।
অভিযোগে আরো বলেন,২০২৪, ২০২৫ ২০২৬,সালের বিভিন্ন মাসে পিআইসি (PIC) প্রকল্পের একটি সামাশিয়াল তর্ক-বিতর্ক হয় এটা রেঞ্জ ধরেই ইউপি সদস্যকে হেনস্থা করা হয়। অভিযোগে উঠেছে খাল ক্ষরণ ও পরিষ্কারের জন্য ৫ লাখ টাকা
বরাদ্দ আসে এর কোন একটু কাজও না করে বিল আনার আবেদন করলে, সাব ইঞ্জিনিয়ার মফিজ।তিনি বিল না দিতে সম্মতি করেন। তিনি বলেন কাজ সম্পন্ন না বুঝিয়ে দিলে দেওয়া সমবনা, তিনি আরো জানান খাল ক্ষরণ কাজ সম্পন্ন না হলে আমি প্রকল্প পাশ করাতে পারবো না সাব জানিয়ে দেন । আরো অভিযোগ উঠে যে মুড়াপাড়া ইউনিয়ন ১ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন রাস্তাঘাট ভাঙা থাকা সত্ত্বেও, সে বেশি মুনাফার আশায় পিআইসির কাজ নিয়ে ভাঙ্গাচুরা রাস্তা গুলো মেরামত না করে, ভালো রাস্তার উপরে সিসি ঢালাই দেওয়া দুই এক মাসেই ভিতরেই উঠে যাচ্ছে রাস্তার ঢালাই কি তো ইটের শুরকি অভিযোগ ওঠে গ্রামবাসীর। এছাড়াও কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা),কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা), টিআর প্রকল্পের ও ওয়ান পার্সেন্টের সহ ৭৫ লাখ টাকার বরাদ্দ আছে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান নিজেই ৩৫ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে অভিযোগ ইঠে, এ সব কাজেও ইউপি সদস্যদের মুল্যায়ন করা হয় না ।
Array