গরু চোরের উপদ্রবে আতঙ্কিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার গ্রামবাসী।
ভ্রাম্যমান ক্রাইম রিপোর্টার:- শিল্প ও বন্দর নগরী আশুগঞ্জ উপজেলার বিশাল মেঘনা নদীর দক্ষিণ তীরে।
প্রাচীনকালে গড়ে ওঠে সোহাগ পুর, বাহাদুরপুর, দুর্গাপুর,খড়িয়ালা, বগইর, মৈশাইর, আন্ধিল, কামাউড়া, তালশহর, নাওগাট সহ শতাধিক নাম না জানা গ্ৰাম।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায় নদী বন্দর হওয়ার কারণে এখানকার মানুষ বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্য করে। এক শ্রেণীর লেখা পড়া না জানা মানুষগুলো কৃষি কাজ করে, কৃষকদের ফসলি জমি চাষাবাদের জন্য খুবই দরকার হয় গরু। তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, এলাকার একশ্রেণীর নেশাগ্রস্ত জুয়ারী এবং হারমাদ প্রকৃতির লোক ঐ সমস্ত ফসলি জমির কৃষকদের চাষাবাদের গরু।
গোয়াল ঘর থেকে অন্ধকার রাতে গরু চুরি করার এক সিন্ডিকেট গঠন করে। বিগত জানুয়ারি মাস থেকে মার্চ মাসের এই পর্যন্ত প্রায় দুই কোটি টাকার গরু চুরি করে নিয়ে যায়।
আন্তঃজেলা-গরু চোরের ক্রেতা হলেন আশুগঞ্জ উপজেলার চর চারতলা গ্ৰামের ১/নুর আলামিন ২/হানিফ চর চারতলা ৩/অজ্ঞাতনামা ৪-৫ জন।
তথ্য সূত্রে জানা যায় গভীর রাত দুপুরে উপরে উল্লেখিত গরু চোরের এক ক্রেতাকে এলাকার কৃষকেরা। হাতেনাতে ধরা পরেও থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হলেও। আইনের ফাঁক ফোকরে জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারো মাথা ছাড়া দিয়ে উঠে গরু চুরি করতে শুরু করে।এক সময় চর চারতলা গ্ৰামের গরু চোর আনোয়ারকে ধরতে সক্ষম হয়। গরু চোর ধরার খবর পেয়ে। সেই সময়ে আশুগঞ্জ থানায় কর্মরত চৌকস পুলিশ অফিসার -এস আই মোঃ ফারুক মিয়া চোরকে থানায় নিয়ে আসে। পুলিশের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে গরু চোর আনোয়ারের মুখ থেকে বের হয়ে আসে গরু চোরের বিভিন্ন অজানা তথ্য। আনোয়ার জানায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার প্রতিটা উপজেলায় প্রত্যেকটা গ্রামে দুই একজন করে গরু চোর আছে।ঐ সমস্ত নিজ গ্ৰামের চোর সহযোগিতা করে আন্তঃজেলা বড় মাপের চোরদের বড় চোর হল গ্রাম্য চোরদের আশ্রয়দাতা। যেমন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সকল চুরি করা গরু চলে যায় মেঘনা নদীর পাড় হয়ে ভৈরব, বাজিতপুর, এবং কিশোরগঞ্জের সিন্ডিকেটের হাতে আশ্রয়দাতার কাছে। আশ্রয়দাতা-সাপ্লাই করে দেই প্রশ্রয়দাতার কাছে।
কে-সেই-প্রশ্রয়দাতা তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায় কসাই নামক মাংস বিক্রেতা দোকানদার হইল প্রশ্রয়দাতা। তাদের নিকট গরু যাওয়ার পর গরু আর আকাশের নিচে জমিনের উপর থাকে না। যার ফলশ্রুতিতে পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা গরু উদ্ধার করতে পারে না। এবিষয়ে ভ্রাম্যমাণ ক্রাইম রিপোর্টার-ভিবিন্ন গ্রামে তথ্য সংগ্রহের অভিযান চালিয়ে জানুয়ারি ২০২৬ হইতে মার্চ মাসের ২১ তারিখ পর্যন্ত প্রায়ই ২ কোটি টাকার গরু চোরের দল নিয়ে যায়। এবিষয়ে আশুগঞ্জ উপজেলা তথা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজ্ঞ মহলের মন্তব্য, সরকারের তদন্ত সংস্থা কর্তৃক তদন্তের মাধ্যমে। ঐ সমস্ত আশ্রয়দাতা ও প্রশ্রয়দাতা ,গরু চোরদের আইনের আওতায় আনা হইলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা রাত জাগা হইতে পরিত্রাণ পেতে পারেন বলে আশা। এদিকে তথ্যসূত্রে ভয়ংকর তথ্য উঠে এসেছে উপরে পোস্টারে যাদের ছবি দেয়া হয়েছে তারা হলেন আশুগঞ্জ উপজেলার কুখ্যাত ডাকাত, ব্রিক ফিল্ডের চাঁদাবাজ, আশুগঞ্জ উপজেলার কুখ্যাত মাদক সম্রাট মোঃ ১/লিটন মিয়া পিতা-মৃত ফরিদ মিয়া গ্ৰাম:মেরাশানি থানা: আশুগঞ্জ।২/মাদক সম্রাট সিএনজি চালক উজ্জল পিতা -বাতেন মিয়া গ্ৰাম: বিটঘর থানা -সরাইল ৩/মোঃ আরমান পিতা মোঃ শমসের আলী গ্ৰাম: বগইর থানা: আশুগঞ্জ।এই ধরনের মাদক কারবারিদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা লেনদেনের মাধ্যমে বিনিময়, মেঘনা নদী দিয়ে মাদকের বড় বড় চালান নৌকা যুগে চলে যায় ভৈরব, বাজিতপুর, কিশোরগঞ্জের সিন্ডিকেটের হাতে। এবিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্রিকফিল্ডের কয়েক জন রাত্রিকালীন ডিউটিরত সিকিউরিটি গার্ডরা বলেন, মাঝে মধ্যে নদীর পাড়ে মাদক ও গরু চালান নৌকায় লোড দেয়ার সময়, মাদক সম্রাট সিএনজি চালক উজ্জল ও লিটন মিয়া এবং আরমানকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এবিষয়ে স্থানীয়রা জানান, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পুলিশ প্রশাসনের সর্বোচ্চ পুলিশ অফিসারদের সুদৃষ্টি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অত্র এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত ভুক্তভোগী কৃষকেরা।
তথ্য অনুসন্ধানে তথ্য চলমান।
Array