কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ডাকবাংলো’র দারোয়ান শামসুল আলম ৩০ বছর ধরে আছে বহাল তবিয়তে
ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ডাকবাংলো দারোয়ান নিজের দায়িত্ব পালন না করে। শুভঙ্করের ফাঁকি দিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহারের করে পাশে থাকা কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশের সাথে গভীর সখ্যতা,দালালি সহ শতাধিক মামলা বাণিজ্যের হোতা হিসেবে। সারা উপজেলা বাসীর কাছে চিহ্নিত। কে এই সামসুল আলম তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, উপজেলা চাঁনপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে। সে একই স্টেশনে ডাকবাংলো দারোয়ান হিসেবে তিন দশক ধরে চাকুরীতে বহাল তবিয়তে আছে। এদিকে তথ্যসূত্রে জানা যায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ডাকবাংলোটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হওয়ায় চাকুরীর সুবাদে, বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের নামে গায়েবানা মিথ্যা বানোয়াট মামলা বাণিজ্য করে, লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায় উপজেলার বিভিন্ন অফিস ও কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে নিজের স্বার্থে নানা সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন থাকেন অনায়াসে।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সকল শ্রেণীর পেশার মানুষের প্রশ্ন? একজন দারোয়ানের কাজ উপজেলা ডাক বাংলো তদারকি করা তার দায়িত্ব পালন করা পাহারা দেওয়া। কিন্তু সরেজমিনে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র, সামসুল আলম (শামসু) সারাদিন মামলা লেখার কাজে নিয়োজিত থাকেন। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন এই যদি হয় সরকারের একজন নিম্ন পর্যায়ের কর্মচারীর দায়িত্ব, তাহলে এই দেশ এগিয়ে যাবে কি করে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে ভয়ংকর অভিযোগ রয়েছে বিগত আওয়ামীলীগ সরকারে স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাদের মদদে সেই সময়ে বিএনপি ও জামায়াত সমমনা বিরোধী দলের বহু নেতাকর্মীদের, মামলার আসামি বানিয়ে অনেক কে ঘর বাড়ি ছাড়া করে। তথ্য সূত্রে কোম্পানীগঞ্জ থানায় আসামি নামীয় লিস্টে (কালো তালিকা)করে তিনি গুরুতর ভূমিকা পালন করে থাকেন। রীতিমতো পুলিশ প্রশাসন দিয়ে হয়রানি মামলা বাণিজ্য করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায় অন্যায় ভাবে অনেক নিরীহ মানুষকে মামলায় ফাঁসিয়ে হয়রানি,জেল,হাজত,ঘর বাড়ি, ছাড়া ও দেউলিয়া করেছে নিরীহ জনসাধারণ কে। একজন নিম্ন শ্রেণীর কর্মচারী দারোয়ান হয়ে এতো ক্ষমতা দাপট দেখানো কে ভুক্তভোগীরা জানতো আতঙ্কের নাম সামসুল আলম (শামসু) সময়ের ব্যবধানে সে এখন বর্তমানে বিএনপির দলীয় প্রোগ্রামে উপস্থিত থেকে নিজেকে বিএনপির লোক বলে পরিচয় দেয় নিজেকে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সকল শ্রেণী পেশার মানুষ জানায় এই শামসুল আলম নিজের স্বার্থের সব কিছু করতে পারেন। এমনকি আরও ভয়ংকর তথ্য মিলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠেছে সে মামলা লিখে বাদীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে পরে ও সু-কৌশলে বিবাদীদের কাছ থেকেও টাকা গ্ৰহন করে। এভাবেই তার নিয়মিত চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা আয়ের উৎসের তথ্য পাওয়া গেছে। সে সরকারের নিম্ন শ্রেণীর কর্মচারী হয়েও শুভঙ্করের ফাঁকি দিয়ে, নিজের স্বার্থে টাকা হাতিয়ে নেয়ার দক্ষ এক কারিগর। তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায় মামলা লেখার কাজে সকাল দশটা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত উপজেলা পরিষদের সামনে ভাড়া কৃত কক্ষে চেয়ার টেবিল নিয়ে বসে থাকেন। সরকারি খাস খতিয়ান জমি বন্দোবস্ত নিয়ে উপকার ভোগী হিসাবে সে ভূমিহীন সেজে নিজে ভোগ না করে অন্যত্র লক্ষাধিক টাকায় বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায় নিজ গ্ৰামের একজন সমাজপতি সেজে সামাজিক বিচারের নামে মামলা বাণিজ্য জড়িয়ে নিঃস্ব করেছেন অনেক পরিবারকে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ডাকবাংলা টি আবর্জনায় ভরপুর অযত্নে অবহেলায় পড়ে আছে এ যেন দেখার কেউ নেই। ২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যা ও জুলাই আন্দোলনের সময় অনেকটা ক্ষতির মুখে পড়ে ডাক বাংলোটির রক্ষার স্বার্থে তার নেই কোন দায়ভার। বরঞ্চ উল্টো মামলা বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত সব সময়।রিপন মিয়া (৩০)নামে একজন, সামসু, তো সারাদিন মামলা লেখার কাজে ব্যস্ত থাকেন প্রশাসন তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিলে সরকারের কোটি কোটি টাকার সম্পদ রক্ষা হবে। তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায় ধলাই ও পিয়াইন নদীর পূর্ব পাড়ে সরকারের খাস খতিয়ানভুক্ত, জমি দখল করেন এতে দুটি দোকান কোটা ও কয়েকটি রুম বানিয়ে মাসিক ভাড়া আদায় করে থাকেন (শামসু) দারোয়ান।
এবিষয়ে সামসুল আলম শামসুর,মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি অকপটে স্বীকার করেছেন। মামলা মোকাদ্দমা নিয়ে লেখালেখি করেন এখন একটু কম লিখেন শারীরিক সমস্যা চোখেও কম দেখেন এটা সত্যি।পাশাপাশি নদীর পাড়ে সরকারি ভূমিতে তার স্ত্রীর নামে দোকান কোটা রয়েছে, তিনি স্বীকার করেন। বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান সরকারের “স্বনির্ভর বাংলাদেশ” গড়ার প্রত্যাশায় নিরুৎসাহিত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাবে। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ডাকবাংলোর দারোয়ান শামসুর মত আর কেউ যেন এমন না হয়ে ওঠে। চাকুরী দাপট আর মামলা বাণিজ্য অনিয়মের দুর্নীতিবাজ এবং শুভঙ্করের ফাঁকিবাজ নিম্ন শ্রেণীর কর্মচারী শামসুর বিরুদ্ধে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জনস্বার্থে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের তদন্ত সংস্থা যেমন, ডিজিএফ আই,পিবি আই, ডিএসবি, ডিবি,এন এস আই, সিআইডি, র!্যব তদন্ত সংস্থার অফিসারদের তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধ কর্মে জড়িত কোম্পানীগঞ্জ ডাকবাংলো দারোয়ান শামসুল আলম (শামসুর) সহ তার সাথে থাকা সকল অপরাধীকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সচেতন জনগণ।
Array