বিশ্ব হোমিওপ্যাথি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে অধ্যক্ষ ডাক্তার জামাল হোসেন এ-র কিছু কথা
নিজস্ব প্রতিবেদক :- অদ্য ১০ই এপ্রিল বিশ্ব হোমিওপ্যাথি দিবস ২০২৬ । এই বিশ্ব হোমিওপ্যাথি দিবস উপলক্ষে শীর্ষস্থানীয় নীতি নির্ধারক, গবেষক, চিকিৎসক এবং সাংবাদিক, লেখক, কবি সহ দেশের বিভিন্ন পেশা জিবিদের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সকল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের হোমিওপ্যাথির ক্রমউন্নয়নমূলক ভূমিকা রাখার জোর দাবি জানিয়েছেন স্বর্ণপদক প্রাপ্ত ঢাকা জয় কালী মন্দিরে অবস্থিত জামাল হোমিও হলের স্বত্বাধিকারী অধ্যক্ষ ডাক্তার জামাল হোসেন।
“টেকসই স্বাস্থ্যের জন্য হোমিওপ্যাথি” এই বিষয়কে কেন্দ্র করে এবারের বিশ্ব হোমিওপ্যাথিক দিবসে কীভাবে হোমিওপ্যাথি স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে একটি সামগ্রিক, সাশ্রয়ী এবং পরিবেশগতভাবে দায়িত্বশীল পন্থা প্রদান করে তুলে ধরার দায়িত্ব পালন করতে সকল হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন । এটি সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং রাষ্ট্রসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার মতো আন্তর্জাতিক অগ্রাধিকারমূলক বিষয় বিশেষত সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ বিষয়ক এসডিজি ৩-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
এই দিবসে হোমিওপ্যাথি ক্ষেত্রের প্রধান গবেষণা অগ্রগতি, জনস্বাস্থ্য উদ্যোগ এবং নীতিগত উন্নয়ন তুলে ধরার আহ্বান জানান অধ্যক্ষ ডাক্তার জামাল ।
ন্যূনতম পরিবেশগত প্রভাব, সম্পদের যথাযথ ব্যবহার এবং শরীরের সহজাত নিরাময় প্রক্রিয়াকে উদ্দীপিত করার উপর বিশেষ মনোযোগ দেওয়ার কথা বললেন ডাক্তার জামাল ।
এছাড়া, প্রতিরোধমূলক ও উন্নয়নমূলক স্বাস্থ্যসেবা, জীবনযাত্রাজনিত ও দীর্ঘস্থায়ী রোগের ব্যবস্থাপনা এবং প্রচলিত ঔষধ চিকিৎসার উপর নির্ভরশীলতা হ্রাসে হোমিওপ্যাথির ভূমিকা অন্বেষণ করা হবে। এছাড়াও পরিবেশবান্ধব ঔষধ প্রয়োগ পদ্ধতি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং আধুনিক বৈজ্ঞানিক গবেষণার সঙ্গে ঐতিহ্যগত জ্ঞানের সমন্বয়ের গুরুত্বের সাথে দেখার অনুরোধ জানালেন তিনি ।
বিগত বছর গুলোতে বিশ্বজুড়ে, বিশেষ করে গোষ্ঠীভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা এবং জনস্বাস্থ্য কর্মসূচিতে হোমিওপ্যাথির গ্রহণযোগ্যতা ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আয়ুষ মন্ত্রক প্রমাণ-ভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি, উন্নততর সহজলভ্যতা এবং জাতীয় স্বাস্থ্য কর্মসূচিতে একীকরণের মাধ্যমে এর প্রসার বাড়াতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে চলেছে।
বিশ্ব হোমিওপ্যাথি দিবস ২০২৬ ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা পদ্ধতির প্রসারে জামাল হোমিও হল আরও সুদৃঢ় করবে এবং একটি স্থিতিস্থাপক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই স্বাস্থ্যসেবা পরিকাঠামো তৈরির প্রচেষ্টাকে নতুন গতি প্রদান করবে বলে আশা করছেন অধ্যক্ষ ডাক্তার জামাল ।
Array