খিলক্ষেত বি আর টি এ চলছে এডি জিয়াউর রহমানের ঘুষের মাধ্যমে অদক্ষ পরীক্ষার্থীদের পাশ বাণিজ্য।
স্টাফ রিপোর্টার :- রাজধানী ঢাকার খিলক্ষেত বি আর টি এঢাকা মেট্রো – ১ জোয়ার সাহারা, খিলক্ষেতে এডি,জিয়াউর রহমানের ঘুষ বাণিজ্যের একাধিক অভিযোগ উঠেছে ।
ঢাকা মেট্রো – ১ বিআরটি এ অফিসের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিজেকে ক্ষমতাবান দাবি করে দীর্ঘদিন
একচেটিয়া আধিপত্য ঘুষ বাণিজ্যের রাজত্ব করে আসছে ঢাকা মেট্রো – ১ বি আর টি এ,খিলক্ষেত ব্রাঞ্চ কার্যালয়ে।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায় বিগত ফেসিস সরকার, আওয়ামী লীগের দোসর বড় বড় রাঘব বোয়াল ও নেতা কর্মীদের খুব কাছের লোক পরিচয় দিয়ে এই এ, ডি, জিয়াউর রহমান এমন কোন অপকর্ম নেই যা তিনি ঢাকা মেট্রো এক খিলখেত ব্রাঞ্চ কার্যালয়ে বসে করেন না।
তিনি এমন ভাবেই তার ক্ষমতার জাল বিছিয়ে রেখেছেন তার অপকর্মের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে অনেকেই ভয় পায়।
টাকার বিনিময়ে অকৃতকার্য ড্রাইভিং লাইসেন্স গুলো কৃতকার্য করে মাসে ইনকাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা,শুধু তাই নয় ফিটনেস মালিকানা বদলি সহ,পরিবহন সেক্টরে যত ধরনের অনিয়মের কাজ আছে, টাকার বিনিময়ে তার কাছে সব সমাধান হয়ে যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানিয়েছেন,তার নামে বেনামে বিভিন্ন স্থানে ফ্ল্যাট ও জমি এবং একটা পালিত সন্ত্রাসী বাহিনী ও রয়েছে।
কেউ তার অন্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ খুললে সেই বাহিনী দিয়ে তাদেরকে হুমকি দেওয়া হয় বলে জানান বি আর টি এ চতুর্থ শ্রেণীর এক কর্মচারী। তাই অনেকেই চোখে দেখেও নীরব ভূমিকায় থাকেন।
সরে জমিনে গিয়ে জানাযায় প্রতি বোর্ডে ১৫০০ থেকে ১৮০০শত পরীক্ষার্থী ড্রাইভিং পরীক্ষা দেন, এদের মধ্যে সিংহ ভাগ প্রার্থী রিটেন ভাইবা ও প্রাকটিক্যাল ফেল করেন ৪৫ ভাগ, কিন্তু পরবর্তীতে অনলাইনে রেজাল্ট দেখা যায় ৯০ ভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছেন, কিন্তু এটা কি ভাবে সম্ভব, এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে এডি জিয়াউর রহমানের গোপনীয় তত্ত্ব।
প্রতিটি বোর্ডে সকাল ৯টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত এডি জিয়াউর রহমানের মোবাইল ফোনের হোয়াটসঅ্যাপ এ শতাধিক পরীক্ষার্থীদের জন্য একাধিক দালাল চক্র মেসেজ পাঠিয়ে থাকেন। এডি জিয়াউর রহমান তা দেখে তারই একটি নোটে লিখে রাখেন এবং পরীক্ষা শেষে নোট করা সব ৯০ ভাগ পরীক্ষার্থীদের পাশ দেখানো হয়। এই ভাবে দালাল চক্র ধারা ঘুষের রাজত্ব চালিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা।
এই দালাল চক্রের মাধ্যমে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে এসব অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের কৃতকার্য করে দেন, আর এইসব অপকর্মে সঙ্গ দেয় পরিদর্শক ও কিছু অফিস সহকারী জড়িত রয়েছে ।
এডি জিয়াউর রহমান কিছু দিন আগে ও আওয়ামী লীগের সাইনবোর্ড লাগিয়ে প্রকাশে ঘুরে বেড়িয়েছেন, কিন্তু বর্তমানে তো মানুষ নতুন এক স্বাধীনতা পেয়েছে, তাই এই স্বাধীন রাষ্ট্রে এই ধরনের ফ্যাসিবাদ দুর্নীতিবাজ লোক কিভাবে ঘুরে বেড়ায় সেটাই এখন সাধারণ মানুষের প্রশ্ল।
ঢাকা মেট্রো – ১ বি আর টি এ চাকরি করে অবৈধ পথে গড়ে তুলেছে টাকার পাহাড়। তথ্য অনুসন্ধানে আরো জানা যায় এ অবৈধ টাকার ভাগ উর্ধ্বতন কর্মকর্তা পর্যন্ত পৌঁছে যায়, তাই তারা অপকর্মের কথা জেনেও কোন প্রকার পদক্ষেপ নেয় না। তাই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উচিত অচিরেই এ ব্যাপারে নজর দেওয়া, একজন এডি হয়ে অবৈধ অর্থের দাপটে যেন মাটিতে তার পা পরেনা।
Array