দেবিদ্বার বড়শাল ঘরে ফেক ফেসবুক আইডি খুলে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ
জেলা প্রতিনিধি কুমিল্লা :- দেবিদ্বার বড়শাল ঘরে ফেক ফেসবুক আইডি খুলে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্তের দাবি, দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান স্থানীয়দের, কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ১নং বড়শালঘর ইউনিয়নের চানু মিয়ার বাড়ির মো. হিরণ মিয়ার ছেলে মো. আলির বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদক ব্যবসার অভিযোগ প্রচারের ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি ও স্থানীয় একাধিক সচেতন ব্যক্তি।
জানা যায়, “ভয়েস অব বড়শালঘর” নামের একটি ফেসবুক পেইজে মো. আলিকে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে উল্লেখ করে একাধিক পোস্ট প্রকাশ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে তদন্ত হওয়া উচিত। যথাযথ প্রমাণ ও তদন্ত ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাউকে অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত হিসেবে উপস্থাপন করা হলে তার সামাজিক মর্যাদা ও ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
এ বিষয়ে স্থানীয় কয়েকজন সচেতন ব্যক্তি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার করে কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বিভিন্ন সময় মানুষের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচার চালিয়ে থাকে। তারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
তারা আরও বলেন, কারও বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ বা তথ্য থাকে, তাহলে তা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কিংবা বিচারিক কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা উচিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাই-বাছাই ছাড়া কাউকে অপরাধী হিসেবে চিত্রিত করা দায়িত্বশীল আচরণের পরিপন্থী।
এ বিষয়ে মো. আলির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে অভিযোগ প্রচার করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি এসব অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এবং আমি ভয়েস অফ বড়শালঘর ফেইসবুক ভুয়া পেইজের বিরুদ্ধে মামলা করবো ইনশাআল্লাহ।
স্থানীয় সাধারণ জনগনের মধ্যে মাসুম মুন্সীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করবে। প্রমাণ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাউকে অভিযুক্ত করা উচিত নয়। সত্য উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।”
অন্যদিকে, এই বিষয়ে আহসান রশিদ শামীমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয় না আলি এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। বিষয়টি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে পারে বলেও আমার সন্দেহ রয়েছে। তাই কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।”
স্থানীয়রা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। পাশাপাশি তারা সবাইকে তথ্য যাচাই করে দায়িত্বশীলভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন।
Array