• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  •  adminj 
    25th Sep 2026 7:06 pm  |  অনলাইন সংস্করণ

    নিজস্ব প্রতিবেদক :- রাজধানীসহ সারা দেশে হঠাৎ বেড়ে যাওয়া নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পেছনে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে উঠে এসেছে গত কয়েক দিনে যেসব বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে, সেসব বেশির ভাগ বাসের মালিক আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী ব্যবসায়ী ও নেতা। নিজেদের মালিকানাধীন বাসে আগুন দিয়ে এক ঢিলে দুই পাখি শিকারের চেষ্টা করছে তারা। নাশকতা সৃষ্টি করে জনমনে আতঙ্ক তৈরি করার পাশাপাশি আওয়ামী এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা এবং সহানুভূতি আদায় করে বিমার টাকা দাবি করাই তাদের লক্ষ্য। তবে নাশকতায় অর্থ জোগানদাতা ও মূল নির্দেশদাতাদের তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। খবর নির্ভরযোগ্য সূত্রের।

    এদিকে রাজধানীর ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় ‘হিট অ্যান্ড রান’ কৌশল অবলম্বন করে পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলে নাশকতা সৃষ্টির মিশন নিয়ে কাজ করছে নিষিদ্ধ দলটি। পুলিশের ভাষায় ‘হিট অ্যান্ড রান’ হলো ঘটনা ঘটিয়ে দ্রুত পলায়ন করা। এমন কৌশলই আপতত ব্যবহার করছে নিষিদ্ধ ঘোষিত দলটি। তবে তাদের এই পরিকল্পনা ফাঁস হয়ে যাওয়ায় সরকারের সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলো সক্রিয় হয়ে উঠেছে। নাশকতা প্রতিরোধে রাজধানীতে এসআরবি (স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন), ডিএমপি, ডিবি এবং সিটিটিসি একযোগে মাঠে কাজ করছে। রাজধানী ছাড়াও দেশের সব বিভাগ ও জেলায় জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা।

    সূত্র জানায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আওয়ামী নাশকতার নতুন ধরন ও কৌশল সম্পর্কে গোপনে তথ্য সংগ্রহ করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে রাজধানীর প্রবেশমুখ ও পূর্ব-পশ্চিমের স্পর্শকাতর পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। নাশকতাকারীদের টার্গেট করা রাজধানীর পূর্ব অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে-ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, সবুজবাগ, বাসাবো, খিলগাঁও। পশ্চিম অঞ্চলে রয়েছে-গাবতলী, মোহাম্মদপুর, বসিলাসহ মিরপুরের শেষ অংশ। এসব এলাকায় ড্রোনের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।

    সূত্র আরও জানায়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের নেতাকর্মীরা ককটেল নিক্ষেপের মাধ্যমে প্রথমে মহড়া শুরু করে। পরে তারা বাসে আগুন দেয়। বড় ধরনের নাশকতা সৃষ্টির অংশ হিসাবে রোববার রাতে তারা কমলাপুরে ট্রেনে আগুন দেয়। তাদের পরিকল্পনায় আরও রয়েছে-মেট্রোরেলসহ সারা দেশের কেপিআইভুক্ত (কী পারফরম্যান্স ইন্ডিকেটর) প্রতিষ্ঠান। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ইতোমধ্যেই সারা দেশে কেপিআইগুলোতে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

    এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেন, পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশনার পর এরই মধ্যে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বা কেপিআই এলাকাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিয়মিত নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি বিশেষ টিম মোতায়েন করা হয়েছে। তালিকা তৈরি করে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দেওয়া হয়েছে তদারকির দায়িত্ব। নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠী অর্থ জোগান ও ইন্ধন দিচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ওই রাজনৈতিক গোষ্ঠীর শীর্ষ নেতারা বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। সেখান থেকেই দেশের ভেতরের কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন এবং অর্থ পাঠাচ্ছেন। তাদের নির্দেশেই দেশে অস্থিতিশীলতা ও অরাজকতা তৈরি করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অর্থ জোগানদাতা ও মূল নির্দেশদাতাদের তথ্য পেয়েছে। অর্থের জোগানদাতা এবং ইন্ধনদাতাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।

    পুলিশ বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে যেসব বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে, তার একটি বড় অংশই আওয়ামী লীগ সমর্থিত বা নেতাকর্মীদের মালিকানাধীন গণপরিবহণ। নিজেদের বাসে আগুন দেওয়া তাদের একটি কৌশলগত চাল। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর অন্যদিকে ঘোরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, অন্যদিকে জনগণের সহানুভূতি আদায় এবং সরকারের ওপর দায় চাপানোর অপকৌশল হাতে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া এর পেছনে পরিবহণ খাতে কৃত্রিম আতঙ্ক তৈরি করে রাজপথ অচল করার পাঁয়তারাও করছে তারা। একই সঙ্গে রেল যোগাযোগ বিনষ্টের জন্য আওয়ামী চক্র সেখানেও আগুন দিচ্ছে।

    রেলওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজি (ইনচার্জ) ব্যারিস্টার জিল্লুর রহমান বলেন, রেলস্টেশনে আগুন এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় সারা দেশে রেলপথ এবং স্টেশনগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছি। গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে কমলাপুর রেলস্টেশনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে সাখাওয়াত হোসেন রায়হান ও সাইমুন নামের দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রায়হান বাংলাদেশ রেলওয়ের কমলাপুর রেলস্টেশনের এমওডি শাখায় ইলেকট্রিশিয়ান হিসাবে কর্মরত ছিলেন। তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের শাহজাহানপুর থানা শাখার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। আর সাইমুন শাহজাহানপুর থানা এলাকার যুবলীগের সক্রিয় কর্মী। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও কয়েকজনের নাম ও পরিচয় পাওয়া গেছে। যাদের নাম এসেছে তাদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ব্যারিস্টার জিল্লুর রহমান বলেন, রোববার রাতে ট্রেনে আগুনের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। প্রযুক্তির সহায়তায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

    Array
    We use all content from others website just for demo purpose. We suggest to remove all content after building your demo website. And Dont copy our content without our permission.
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    September 2026
    M T W T F S S
     123456
    78910111213
    14151617181920
    21222324252627
    282930