টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসে ঘুষ দূর্নীতির দায়ে ফেঁসে গেলেন সহকারী পরিচালক আবজাউল আলম।
ষ্টাফ রিপোর্টর মোহাম্মদ রমজান আলী :- একটি পাসপোর্ট শুধু একটি বই নয়—এটি একজন মানুষের স্বপ্ন, প্রবাসে কর্মসংস্থান, উচ্চশিক্ষা, চিকিৎসা কিংবা পবিত্র হজ-ওমরাহ পালনের গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম। অথচ সেই জরুরি সেবা নিতে গিয়েই যদি একজন নাগরিককে অযথা হয়রানির শিকার হতে হয়, তাহলে সেটি শুধু ব্যক্তিগত দুর্ভোগ নয়, পুরো রাষ্ট্রীয় সেবা ব্যবস্থার জন্যই লজ্জাজনক।
এটা সরকারি বেতন ভাতা ধ্বংস করা একজন ঘুষখোর অপদার্থের ছবি। টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসে উনি সহকারি পরিচালক পদে কর্মরত।
প্রতিদিনের মত একজন পাসপোর্ট সেবা প্রার্থী উনার কাছে সেবার জন্য গেলে উনি ইংরেজি ‘Johora’ বানানের বাংলা ‘জোহরা’ নাকি ‘জহরা’ নাকি ‘জহুরা’ হবে সেটা নিয়ে ইচ্ছাকৃত ভাবে একটা ক্লিন ফাইল কে নিয়ে একটা ঘোলাটে পরিস্থিতি তৈরি করে যেন লোকটা টাকার বিনিময়ে জিনিসটা সঠিক করিয়ে নিতে বাধ্য হয়।
সেবাগ্রহীতা ভদ্রলোকের সার্টিফিকেট, ভোটার আইডি সবখানে নামের বানান ঠিক থাকলেও এই লোক বাংলা ‘জোহরা’ বানান কি হওয়া উচিত এটা নিয়ে বাড়তি কথা বলে সেই ফাইলে খুঁত ধরার চেষ্টা করে।
আপনার নামের বানান যদি আপনি ‘ঝোহুড়া’ ও লিখেন কারও সাধ্য নেই আপনাকে নামের বানান ঠিক করতে বলার যদি সেটা সবখানে একই রকম হয়। ট্রাভেলিং শুরু করতে যাওয়া প্রায় প্রতিটা মানুষের পাসপোর্ট করা থেকেই এই ধরনের অপদার্থ ঘুষখোরদের ফেইস করে সামনে আগাতে হয়।
এরা হজ করতে যাওয়া লোকদেরও ছাড় দেয়না, নামাজ পড়ে এসে ঘুষের টাকা ছেপ দিয়ে গুনে হিসাব করে ভাগ নিয়ে বাসায় যায়! আমার আপনার কস্টের ট্যাক্স এর টাকায় বেতন পাওয়া এইসব কুশিক্ষিতদের কখনো চাকরিও যায়না। অভিযোগ পেলে শুধু এদের জায়গাটা পরিবর্তন হয়।
আমরা চাই—সেবা হোক হয়রানিমুক্ত, সরকারি অফিস হোক জনগণের আস্থার প্রতীক, আর দুর্নীতির অভিযোগের যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক।
Array