প্রায় ২৯ বছর চাকরির পর জোরপূর্বক চাকরিচ্যুতির অভিযোগ, প্রাপ্য পাওনা আদায়ে মানবিক সহায়তা চাইলেন সাবেক কর্মচারী
শহীদুল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিবেদক :- প্রায় ২৯ বছর ধরে একটি বেসরকারি ওষুধ কোম্পানিতে দায়িত্ব পালন করার পর জোরপূর্বক চাকরিচ্যুত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ওরিয়ান ঔষধ কোম্পানির সাবেক প্রোডাকশন সুপারভাইজর মোঃ সাইফুল ইসলাম। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, চাকরিচ্যুতির দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত তার আইনানুগ প্রাপ্য গ্র্যাচুইটি, প্রভিডেন্ট ফান্ড, অর্জিত ছুটির নগদায়ন, বকেয়া উৎসব ভাতা, বোনাসসহ অন্যান্য পাওনা পরিশোধ করা হয়নি।
এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ও মানবিক সহযোগিতা চেয়ে তিনি আলো ছোঁয়া মানব কল্যাণ সোসাইটির চেয়ারম্যান বরাবর একটি লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন।
আবেদনে মোঃ সাইফুল ইসলাম উল্লেখ করেন, তিনি কার্ড নং-০২০১১৬৩ ধারী কর্মচারী হিসেবে ৫ অক্টোবর ১৯৯৬ থেকে ২৮ জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত ওরিয়ান ঔষধ কোম্পানির প্রোডাকশন সুপারভাইজর পদে সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ দর্শানো, আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ কিংবা প্রাপ্য আর্থিক সুবিধা পরিশোধ না করেই তাকে জোরপূর্বক চাকরিচ্যুত করা হয়।
তিনি আরও দাবি করেন, চাকরি হারানোর পর তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এবং বর্তমানে দীর্ঘদিন ধরে বেকার অবস্থায় পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। আর্থিক সংকটের কারণে তার ছেলে-মেয়ের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে গেছে। বিবাহযোগ্য মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থাও অর্থাভাবে করতে পারছেন না। এমনকি পরিবারের ন্যূনতম ভরণ-পোষণ করাও তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে বলে আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
সাইফুল ইসলামের দাবি, দীর্ঘ চাকরিজীবন শেষে এখনও পর্যন্ত তিনি তার গ্র্যাচুইটি, প্রভিডেন্ট ফান্ডের সম্পূর্ণ জমাকৃত অর্থ, অর্জিত কিন্তু ভোগ না করা ছুটির নগদায়ন, চাকরিচ্যুতিজনিত আইনানুগ ক্ষতিপূরণ (যদি প্রযোজ্য হয়), বকেয়া উৎসব ভাতা, বোনাস এবং প্রচলিত শ্রম আইন অনুযায়ী অন্যান্য সকল প্রাপ্য সুবিধা পাননি।
তিনি বাংলাদেশের প্রচলিত শ্রম আইন অনুযায়ী এসব পাওনা তার ন্যায্য অধিকার বলে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ, প্রয়োজনীয় মধ্যস্থতা এবং প্রয়োজনে সরকারি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে তার প্রাপ্য আদায়ে সহযোগিতা কামনা করেছেন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে এডমিন শাখার ফরহাদা সাহেব,কথা বলতে রাজি হননি।
Array