কেরানীগঞ্জ এলাকা হতে প্রায় ২ লক্ষ ১৯ হাজার টাকা মূল্যের ৭৩০ পিস ইয়াবা, ককটেইল ও দেশীয় অস্ত্র’সহ ০২ জন আসামী’কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০।
নিজস্ব প্রতিবেদক :- কেরানীগঞ্জ এলাকা হতে প্রায় ২ লক্ষ ১৯ হাজার টাকা মূল্যের ৭৩০ পিস ইয়াবা, ককটেইল ও দেশীয় অস্ত্র’সহ ০২ জন আসামী’কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০।
র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। মাদকদ্রব্যের ভয়াল ছোবল থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষার লক্ষ্যে র্যাবের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে অদ্য ০৮/০৮/২০২৬ তারিখ দুপুর অনুমান ১৪.২০ ঘটিকার সময় ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন পূর্ব চড়াইল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ইয়াবা, ককটেইল ও দেশীয় অস্ত্র’সহ ০২ জন আসামি’কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০।
র্যাব-১০, সদর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অদ্য ০৮/০৮/২০২৬ তারিখ দুপুর অনুমান ১৪.২০ ঘটিকায় ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন পূর্ব চড়াইল এলাকায় একটি মাদক উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে আনুমানিক ২,১৯,০০০/- (দুই লক্ষ উনিশ হাজার টাকা) বাজার মূল্যের ৭৩০ (সাতশত ত্রিশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ০৬ (ছয়) টি ককটেইল’সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয়ের নাম ১। মোঃ আরিফ হোসেন (৩৫), পিতা-আঃ বারেক, সাং-বিক্রমপুর সাং-বিক্রমপুর উত্তর সালামত, থানা-শ্রীনগর, জেলা-মুন্সিগঞ্জ ও ২। মোঃ মোবারক (১৯), পিতা- সিরাজ সিকদার, সাং-বিক্রমপুর কলিকাতা ভুট্টা, থানা-লৌহজং, জেলা-মুন্সিগঞ্জ বলে জানা যায়। এসময় তাদের নিকট হতে বিভিন্ন ধরণের দেশীয় অস্ত্র, পাঁচটি মোবাইল ফোন এবং মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের নগদ ৪২০০/- (চার হাজার দুইশত টাকা) উদ্ধার করা হয়।
প্রকাশ থাকে যে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদ্বয় পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী এবং স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা হতে অবৈধভাবে ইয়াবা’সহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে ঢাকা জেলার কেরাণীগঞ্জ’সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিল। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ইয়াবা, ককটেইল এবং অন্যান্য আলামতসহ গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদ্বয়ের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজুর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মাদক সমাজের সবচেয়ে ভয়াবহ বিষফোঁড়া। এটি আমাদের যুব সমাজকে ধ্বংস করছে, পরিবারে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে। র্যাব দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, “মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স” নীতির বাস্তবায়ন ছাড়া সমাজে শান্তি ও উন্নয়ন সম্ভব নয়। র্যাব-১০ মাদক নির্মূল অভিযানে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও মাদক, অস্ত্র, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
Array