প্রথমবারের মতো মামলার তদন্তে এসআরবি
adminj
20th Sep 2026 12:12 pm | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক :- মিরপুরে বাড়ি দখল, ভাঙচুর, মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে করা মামলায় প্রথমবারের মতো স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নকে (এসআরবি) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে মো. মিজানুর রহমান ওরফে বাচ্চু মামলার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে এসআরবিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
মামলায় হেমায়েত উদ্দিন সুমন, মো. নাজমুল হোসেন ও মুন্নী আক্তার মিষ্টিকে আসামি করা হয়েছে।
আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, এসআরবি আইনে মাদক, সাইবার অপরাধ, ভূমি ও ভূমিদস্যুতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে। মামলাটি ভূমিসংক্রান্ত হওয়ায় আইনের ১৫(২) ধারা অনুযায়ী মহাপরিচালককে এসআই পদমর্যাদার নিচে নয় এমন সদস্য দিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রথমবারের মতো মামলার তদন্তে এসআরবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৪ পিএম
স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। ছবি : সংগৃহীত
মিরপুরে বাড়ি দখল, ভাঙচুর, মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে করা মামলায় প্রথমবারের মতো স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নকে (এসআরবি) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে মো. মিজানুর রহমান ওরফে বাচ্চু মামলার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে এসআরবিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
মামলায় হেমায়েত উদ্দিন সুমন, মো. নাজমুল হোসেন ও মুন্নী আক্তার মিষ্টিকে আসামি করা হয়েছে।
আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, এসআরবি আইনে মাদক, সাইবার অপরাধ, ভূমি ও ভূমিদস্যুতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে। মামলাটি ভূমিসংক্রান্ত হওয়ায় আইনের ১৫(২) ধারা অনুযায়ী মহাপরিচালককে এসআই পদমর্যাদার নিচে নয় এমন সদস্য দিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়ে হয়েছে।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, মিরপুর হাউজিং এস্টেটের একটি বহুতল ভবনের মালিক ইউনুস আলী ও রুমা আক্তার বর্তমানে কানাডায় অবস্থান করছেন। তাদের সম্পত্তি দেখাশোনা করেন চাচা মিজানুর রহমান।
অভিযোগে বলা হয়, মালিকদের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে বাড়িটি দখলের চেষ্টা করে আসছিলেন। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই হেমায়েতের নেতৃত্বে তারা জোর করে বাড়িতে প্রবেশ করেন। বাধা দিলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পরে হেমায়েত মিজানুরের কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে দুই লাখ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।


