• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • কাগজ-কলমে ‘সব ঠিক’, বাস্তবে নেই খালের অস্তিত্ব দেবিদ্বারে সরকারি তদন্তের নামে ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’, প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে গুরুতর অভিযোগ 

     adminj 
    28th Sep 2026 5:25 pm  |  অনলাইন সংস্করণ

    স্টাফ রিপোর্টার :-  কুমিল্লা দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ও সরকারি অর্থ ব্যয় নিয়ে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ আরও গুরুতর হয়েছে সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর। অভিযোগকারীদের দাবি, বাস্তবে কোনো কোনো প্রকল্পের অস্তিত্ব না থাকলেও কিংবা নামমাত্র কাজ করা হলেও তদন্ত প্রতিবেদনে সেগুলোকে ‘যথাযথ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    গত ২৩ সেপ্টেম্বর দেবিদ্বারের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন পাঠান। প্রতিবেদনে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অভিযোগকারীদের দাবি, প্রতিবেদনের সঙ্গে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার মিল নেই।

    তদন্ত প্রতিবেদনের ৯নং ক্রমিকে থাকা ‘চান্দপুর কামাল মিয়ার বাড়ি হতে শফিক মিয়ার প্রজেক্ট পর্যন্ত খাল খনন/সংস্কার’ প্রকল্পটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন উঠেছে। সরকারি নথিতে এ প্রকল্পের জন্য ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেখানো হয়েছে। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. শামসুল আরেফিনের তদন্ত প্রতিবেদনে প্রকল্পটির কাজ ‘যথাযথ পাওয়া গেছে’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    তবে অভিযোগকারী ও স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, চান্দপুরে শফিক মিয়ার প্রজেক্ট এলাকায় আদৌ কোনো খালের অস্তিত্ব নেই। তাদের প্রশ্ন, যেখানে খালই নেই, সেখানে খনন বা সংস্কারের কাজ কীভাবে তদন্তে ‘যথাযথ’ হিসেবে বিবেচিত হলো।

    এ ছাড়া ‘নোয়াবগঞ্জ উঁচু ব্রিজ হতে মজিব মাস্টারের বাড়ির দক্ষিণ দিকে খাল খনন’ এবং সেখান থেকে ‘বজলু মিয়ার বাড়ির পাশের খাল খনন/সংস্কার’ নামে দুটি প্রকল্প দেখিয়ে মোট ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, একই এলাকায় প্রকল্প দুটি দেখানো হলেও বাস্তবে মাত্র প্রায় তিন ঘণ্টা ভেকু দিয়ে মাটি কাটার কাজ করা হয়েছে।

    গ্রাম আদালতের বিলবোর্ড স্থাপনের জন্য ১ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রকল্প নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, সাধারণ মানের প্রিন্ট করা ব্যানার ও টিনের ফ্রেম দিয়ে বিলবোর্ড তৈরি করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, এর প্রকৃত ব্যয় বরাদ্দের তুলনায় অনেক কম। এমনকি একটি বিলবোর্ড ঝড়ে ভেঙে পড়ে থাকার কথাও জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এরপরও তদন্ত প্রতিবেদনে প্রকল্পটির কাজ ‘যথাযথ’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

    এ ছাড়া চান্দপুর আজাদ মুন্সীর বাড়ি থেকে ওয়াহেদ মিয়ার বাড়ির রাস্তা, লক্ষ্মীপুর গোলাম আলী বাড়ি থেকে জলিল মিয়ার রাস্তার ইটের সলিং, ফতেহাবাদ নমসুদ পাড়া থেকে সাগর ডাক্তারের রাস্তা, কুড়ালপাড়া রাস্তার অবশিষ্টাংশ এবং নায়েব আলী কলেজের ড্রেন নির্মাণসহ একাধিক প্রকল্পে নামমাত্র কাজ করে সরকারি অর্থের বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

    গত ২০ আগস্ট ফতেহাবাদ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মাহদী হাসান এসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জানিয়ে ইউএনও বরাবর আবেদন করেন।

    অভিযোগকারীদের আরও দাবি, তদন্ত কর্মকর্তা প্রকল্পগুলোর প্রকৃত অবস্থা সরেজমিনে যথাযথভাবে যাচাই না করেই প্রতিবেদন তৈরি করেছেন। অভিযুক্তদের সঙ্গে অনৈতিক যোগসাজশের অভিযোগও করেছেন তারা। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া তথ্য পাওয়া যায়নি।

    এ বিষয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. শামসুল আরেফিনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও কোনো সংযোগ পাওয়া যায়নি।

    দেবিদ্বারের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

    Array
    We use all content from others website just for demo purpose. We suggest to remove all content after building your demo website. And Dont copy our content without our permission.
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    September 2026
    M T W T F S S
     123456
    78910111213
    14151617181920
    21222324252627
    282930