বাগেরহাট খানজাহান আলী মাজারের খাদেম আব্দুস সামাদের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারি ও মাদক সেবন সহ নানান অপকর্মে জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে।
adminj
11th Oct 2026 6:13 pm | অনলাইন সংস্করণ
- খুলনা জেলা প্রতিনিধি :- ঐতিহাসিক খানজাহান আলী মাজার ও এর আশেপাশের এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও মাদকের আড্ডা রুখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করলেও ।মাজারের প্রধান গেট, দিঘির পাড় মাজার সংলগ্ন মাজারের খাদেম আব্দুস সামাদের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারি ও মাদক সেবন সহ নানান অপকর্মে জড়িত আছেন বলে জানিয়েছেন এলাকার যুবসমাজ । ১১-১০- ২০২৬ ইং তারিখ রাত আনুমানিক দশটা থেকে সাড়ে দশটায় সরজমিনে যেয়ে দেখা যায় তার আস্থায় মাদক সেবন এবং নাচে গানে ভরপুর। গণমাধ্যম কর্মীদের দেখে হত বঙ্গ এই মাজারের খাদেম আব্দুস সামাদ কে মাদকের কথা জিজ্ঞেস করলে যে কি মাদক সেবন করছেন আপনার আস্তানায়। ইয়াবা না গাঁজা না মদ সেবন করছেন খাদেম সামাদ সাহেব বলেন যে গাজা সেবন করতে ছিলাম । এখন একটু চাপ তো তাই । এই ধর্মীয় ও পর্যটন কেন্দ্রের পবিত্রতা বজায় রাখতে এবং দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় সচেতন নাগরিক এবং সামাজিক সংগঠনগুলোও বিভিন্ন সময় মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশ করে আসছে।
মাজার ও এর সংলগ্ন খানজাহান আলী থানা এলাকায় মাদক নির্মূলে প্রশাসনের প্রধান পদক্ষেপগুলো নিচে দেওয়া হলো।
মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান: খানজাহান আলী থানা পুলিশ ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা মাজারের আশপাশের এলাকা, টোল প্লাজা ও সংযোগ সড়কগুলোতে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে গাঁজা, ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য উদ্ধার করছেন এবং জড়িত কারবারিদের গ্রেপ্তার করছে।
নজরদারি বৃদ্ধি: মাজারের প্রধান গেট, দিঘির পাড় এবং সংলগ্ন এলাকাগুলোতে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের আনাগোনা বন্ধ করতে পুলিশি টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।সামাজিক সচেতনতা: স্থানীয় যুবসমাজকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করতে প্রশাসনের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় মিশনের উদ্যোগে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হলেও থেমে নেই খাদেম আব্দুস সামাদ।
মাজারের পবিত্রতা এবং ঐতিহ্য ধরে রাখতে যেকোনো ধরনের অবৈধ আড্ডা বা মাদক কেনাবেচার তথ্য সরাসরি স্থানীয় থানা পুলিশকে অথবা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে জানানোর জন্য।
