• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • গাইবান্ধায় ব্ল্যাকমেইল ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের অভিযোগে থানায় এজাহার 

     adminj 
    07th Jun 2026 2:13 pm  |  অনলাইন সংস্করণ

    গাইবান্ধা প্রতিনিধি: :- গাইবান্ধায় এক শিক্ষিকাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত ছবি প্রকাশের হুমকি দিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা এবং পরবর্তীতে একটি অনলাইন পোর্টালে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের অভিযোগে গাইবান্ধা সদর থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

    থানায় দায়ের করা এজাহারে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজনিন সুলতানা অভিযোগ করেন, আব্দুল্লাহ আল হারুন সুহিনের সঙ্গে পরিচয়ের সূত্র ধরে একসময় যোগাযোগ গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে বিভিন্ন আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে তার কাছে আরও অর্থ দাবি করা হয় এবং অর্থ প্রদান না করলে ব্যক্তিগত ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এজাহারে আরও বলা হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে পূর্বে থানায় অভিযোগ করা হলে পুলিশ উভয় পক্ষকে ডেকে সতর্ক করে। তবে এরপরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বার্তা ও যোগাযোগের মাধ্যমে হয়রানি অব্যাহত থাকে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

    অভিযোগে বলা হয়, গত ৬ জুন একটি অনলাইন পোর্টালে ঘটনাটি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। ওই প্রতিবেদনে গাইবান্ধা সরকারি কলেজের প্রভাষক এ কে এম আজাদ সরকারের ছবি ব্যবহার করা হয়। ভুক্তভোগীর দাবি, তার স্বামী বা পরিবারের কারও বক্তব্য গ্রহণ না করেই সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে এবং সেখানে বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, যা তাদের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করেছে।

    এ বিষয়ে প্রভাষক এ কে এম আজাদ সরকার বলেন, “সংবাদ প্রকাশের আগে আমার সঙ্গে যোগাযোগের না করে নিউজটি আমার ছবি দিয়ে প্রচার করা হয়। আমার অনুমতি ছাড়া আমার ছবি ব্যবহার করে সংবাদ প্রকাশ করা সাংবাদিক নীতিমালার পরিপন্থী বলে আমি মনে করি, কোনো ব্যক্তিকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে তার বক্তব্য নেওয়া এবং সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসরণ করা উচিত।

    তিনি আরও বলেন, “আমার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যে অভিযোগ ও অপপ্রচার করা হচ্ছে, তা আমাদের সামাজিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। বিষয়টি আইনগতভাবে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।”

    গাইবান্ধা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, “এই সংক্রান্ত একটি লিখিত এজাহার পাওয়া গেছে। অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

    এ বিষয়ে অভিযুক্ত আতিকুর রহমান আতিক (আতিক বাবু) এবং আব্দুল্লাহ আল হারুন সুহিনের বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ব্যক্তিগত ছবি প্রকাশের হুমকি, অনলাইন হয়রানি, মানহানি ও অনুমতি ছাড়া ছবি ব্যবহার করে সংবাদ প্রকাশের অভিযোগগুলো গুরুতর। তারা সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

    Array
    We use all content from others website just for demo purpose. We suggest to remove all content after building your demo website. And Dont copy our content without our permission.
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ