• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • বিয়ের নামে প্রতারনা, ওসির বিরুদ্ধে নারী সার্জেন্টের অভিযোগ 

     adminj 
    29th Apr 2026 8:01 pm  |  অনলাইন সংস্করণ

    রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি  :- রাজশাহীতে এক পুলিশ পরিদর্শকের বিরুদ্ধে ওঠা গুরুতর অভিযোগ ঘিরে আবারও সামনে এসেছে পুলিশ বাহিনীর অভ্যন্তরীণ জবাবদিহি ও নৈতিকতার প্রশ্ন। একই বাহিনীর এক নারী সার্জেন্টের করা লিখিত অভিযোগে জানা যায়, প্রতারণা করে বিয়ে, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, জোরপূর্বক গর্ভপাত এবং অর্থ আত্মসাতের মতো সংবেদনশীল বিষয় উঠে এসেছে—যা শুধু আইনি নয়, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকেও উদ্বেগজনক

    জানা যায়, আরএমপির ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত সার্জেন্ট মোসা. সাবিহা আক্তার পুলিশের সিরাজগঞ্জ ইন সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে কর্মরত ওসি মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
    অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ২০২০ সালে পরিচয়ের সূত্র ধরে তৎকালীন বোয়ালিয়া মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক মাহবুব আলম পূর্বের বৈবাহিক তথ্য গোপন রেখে তাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকেই সম্পর্কটি ছিল একতরফা নিয়ন্ত্রণ ও মানসিক চাপের মধ্যে আবদ্ধ। সংসার জীবনে তিনি বারবার শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

    স্বামীর একাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘প্রতিবাদ করলেই তাকে মারধর ও অপমানের মুখে পড়তে হতো। তিনি অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর তাকে জোরপূর্বক চার মাসের গর্ভপাত করানো হয়, যা তার শারীরিক ও মানসিক জীবনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলেছে।’
    অভিযোগে আরও বলা হয়, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার আশায় বিশ্বাসের জায়গা থেকে তিনি অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে প্রায় ২০ লাখ টাকা দেন। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি; বরং নির্যাতনের মাত্রা বেড়েছে। বর্তমানে তাদের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে, যার দেখভালের দায়িত্ব তিনি একাই পালন করছেন।

    এদিকে অভিযোগে আরও উঠে এসেছে, ওসি মাহবুব আলম অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের স্বামী-স্ত্রী হিসেবে উপস্থাপন করেছেন, যা নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

    এসব অভিযোগ নতুন নয়, “এর আগেও ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ওসি মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হয়। ভিডিওতে তাকে এক ব্যক্তির কাছ থেকে খামের মধ্যে টাকা নিতে দেখা যায়। ‘পরদিন তাকে চন্দ্রিমা থানা থেকে প্রত্যাহার করে আরএমপি সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়’ এবং তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান কোনো বিভাগীয় ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে তিনি রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির অধীনে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা গেছে।”

    আইন ও মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘অভিযোগগুলো প্রমাণিত হলে তা কেবল ব্যক্তিগত অপরাধ নয়; বরং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন দায়িত্বশীল সদস্যের গুরুতর নৈতিক ব্যর্থতা হিসেবে বিবেচিত হবে। একই সঙ্গে এ ধরনের অভিযোগের নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্ত নিশ্চিত করা না হলে বাহিনীর প্রতি জনসাধারণের আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।’

    এদিকে সার্জেন্ট সাবিহা আক্তারকে ফোন করা হলে অভিযোগের কথা স্বীকার করেও কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান কালবেলাকে জানান, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মাত্র সাত দিনের প্রেমে বিয়ে করে মেয়েটি আজ অসহায়।

    তিনি আরও জানান, নানা অভিযোগের কারণে মাহবুব আলমকে সিরাজগঞ্জ ইন সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে সংযুক্ত করা হয়েছে। তাকে কোনো দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।

    ঘুষ নেওয়া এবং নারী কেলেঙ্কারিসহ নানা অভিযোগ থাকার পরেও কীভাবে পুলিশের চাকুরির তবিয়তে বহাল আছে প্রশ্নের জবাবে রেঞ্জ ডিআইজি জানান, ‘প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের চাকুরি থেকে বাদ দেওয়া সহজ নয়। কিছু আইনি সীমাবদ্ধতা এবং জটিলতা আছে। বিভাগীয় ব্যবস্থা চলমান রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

    এ বিষয়ে পুলিশ পরিদর্শক মাহবুব আলমকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

    Array
    We use all content from others website just for demo purpose. We suggest to remove all content after building your demo website. And Dont copy our content without our permission.
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    April 2026
    M T W T F S S
     12345
    6789101112
    13141516171819
    20212223242526
    27282930