সায়দাবাদ টার্মিনালে নোয়াখালী প্লাটফর্মে গড়ে তুলেছে জুয়া ও মাদকের আখঁড়া পর্ব – ১
নিজস্ব প্রতিবেদক :- রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন সায়দাবাদ টার্মিনালের নোয়াখালী প্লাটফর্মে পুলিশের নাম বিক্রি করে দেদারছে চালাচ্ছে জুয়া ও মাদক ব্যবসা। সূত্রে জানা যায় যে যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশের সোর্স পরিচয়দানকারী দেলোয়ার হোসেন ওরফে সোর্স দেলা, এর ছত্রছায়ায় যাত্রাবাড়ী, সায়দাবাদ, গোলাপবাগ, মানিকনগর, মতিঝিল ও টিকাটুলী, সায়দাবাদ এলাকায় যত ধরনের ছিনতাই করা মোবাইল ফোন ও অন্যান্য মাল সামনা গুলো এই জুয়ার আসরে এবং মাদকের আঁখড়ায় বিক্রি করে এই ছিনতাইকারীরা । সূত্রে আরো জানা যায় যে ছিনতাই কারীদের থেকে ছিনতাই করা মোবাইল ও অন্যান্য মাল সামনা গুলো বেচা – কেনা করেন জুয়া ও মাদক সম্রাট সোর্স দেলার ভাই আক্তার হোসেন । সায়দাবাদ টার্মিনালের এই জুয়ার আসর ও মাদক বিক্রি করার কারনে ছিনতাই প্রতিনিয়ত বেড়ে যাচ্ছে । এই জুয়া ও মাদকের আখঁড়ার ১০০ গজের মধ্যেই রয়েছে দুটি পুলিশ ফাঁড়ি। সায়দাবাদ পুলিশ ফাঁড়ি এবং যাত্রাবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ি। রহস্যজনক ভাবে পুলিশ দেখে ও না দেখার ভান এই জুয়া ও মাদকের আখঁড়ার বিষয়ে সোর্স দেলাকে প্রতিবেদক জিজ্ঞেস করলে পুলিশ আপনাদেরকে কিছু বলে না আপনারা যে জুয়া এবং মাদক সেবনকারীদের দিয়ে ছিনতাই এবং মাদক ব্যবসা চালাচ্ছেন, পুলিশের সোর্স দেলা জানান যে আমি একজন পুলিশের সোর্স আমাকে কোন পুলিশ কি বলবে, আমি সকল পুলিশের সাথে ভালো সম্পর্ক আছে বলেই এই জুয়া ও মাদক ব্যবসা চালাচ্ছি । তিনি আরো বলেন যে কুত্তা চায় হাড্ডি । শুধু পুলিশকে টাকা দেই না। আপনাদের অনেক সাংবাদিক এই জায়গা এসে ২০০-৫০০ নিয়ে চলে যায় । সায়দাবাদ টার্মিনালের অনেক গাড়ির মালিক এবং ড্রাইভার হেলপাড়রা জানান যে এই জুয়া এবং মাদক স্পট বন্ধ না হলে আমাদের অনেকেই নিঃস্ব হয়ে যাবে। এলাকার যত ছিনতাই হচ্ছে তার একমাত্র কারণ জুয়া ও মাদক ব্যবসার কারণে । এদিকে পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ কে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন যে আমরা প্রায় দিন জুয়া এবং মাদকের অভিযান চালাই কেউ যদি বলে আমাদেরকে ম্যানেজ করে চালায় তাহা সত্য না। তিনি আরো বলেন যে আমি তো শুনেছি আপনাদের অনেক সাংবাদিকরা এই জায়গা থেকে টাকা পয়সা নেয়। যদি আবারো জুয়া এবং মাদক ব্যবসা কেউ করে থাকেন তাহলে অবশ্যই আমরা এটা প্রতিহত করব। পুলিশ এখন জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স।
Array