• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • আদালতে মামলা থাকলেই কি শেষ হয় নিয়ন্ত্রক দায়িত্ব? স্বাস্থ্য বিভাগের পত্র ঘিরে প্রশ্ন, আলোচনায় সহকারী সচিব আলমগীর হক 

     adminj 
    04th Jun 2026 5:56 pm  |  অনলাইন সংস্করণ

    সাভার প্রতিনিধি :-  আদালতে মামলা থাকলেই কি শেষ হয় নিয়ন্ত্রক দায়িত্ব? স্বাস্থ্য বিভাগের পত্র ঘিরে প্রশ্ন, আলোচনায় সহকারী সচিব আলমগীর হক।  আশুলিয়ার দিয়াখালী মৌজার একটি নারী ও শিশু হাসপাতালকে কেন্দ্র করে উত্থাপিত অভিযোগ এবং স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের জারি করা একটি পত্র নতুন করে প্রশাসনিক জবাবদিহিতা, নিয়ন্ত্রক দায়িত্ব ও সরকারি কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

    অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, হাসপাতালটির জমি, নিবন্ধন, লাইসেন্স নবায়ন এবং পরিচালনাগত বৈধতা নিয়ে একাধিক অভিযোগ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উত্থাপন করা হলেও স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পক্ষ থেকে বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন মামলার যুক্তিতে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
    স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সহকারী সচিব আলমগীর হক স্বাক্ষরিত এক পত্রে উল্লেখ করা হয়, জমির মালিকানা সংক্রান্ত বিষয় আদালতে বিচারাধীন থাকায় এ বিষয়ে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ নেই। কিন্তু আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, জমির মালিকানা নির্ধারণ আদালতের বিষয় হলেও হাসপাতালের নিবন্ধন, লাইসেন্স, কাগজপত্রের বৈধতা, তথ্য গোপন করা হয়েছে কি না কিংবা নিবন্ধনের শর্ত লঙ্ঘন হয়েছে কি না—এসব বিষয় তদন্ত ও তদারকির ক্ষমতা স্বাস্থ্য বিভাগের রয়েছে।
    সংশ্লিষ্টদের মতে, বিচারাধীন মামলা কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত প্রশাসনিক অনিয়ম, লাইসেন্স জটিলতা বা নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তে বাধা নয়। আদালত জমির মালিকানা নির্ধারণ করবেন, কিন্তু হাসপাতালটি বৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না তা যাচাই করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার।
    অভিযোগকারীরা আরও দাবি করেছেন, বিষয়টি নিয়ে সহকারী সচিব আলমগীর হককে অবহিত করা হলে তিনি উত্তেজিত প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তবে অভিযোগের মূল বিষয়বস্তু বা সম্ভাব্য তদন্ত সম্পর্কে তিনি কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।
    এদিকে একই অভিযোগ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ মহাপরিদর্শকের কার্যালয়ে প্রেরণ করেছে বলে জানা গেছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, যখন অন্য একটি মন্ত্রণালয় অভিযোগটিকে তদন্তযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করেছে, তখন স্বাস্থ্য বিভাগ কেন অভিযোগের সারবস্তু যাচাই না করে শুধুমাত্র “মামলা বিচারাধীন” যুক্তি তুলে ধরেছে।
    প্রশাসনিক আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো সরকারি কর্তৃপক্ষ অভিযোগ পাওয়ার পর অন্তত প্রাথমিক অনুসন্ধান বা যাচাই-বাছাই ছাড়া দায়িত্ব এড়াতে পারে না। অভিযোগের প্রাসঙ্গিক দিকগুলো বিবেচনা না করে সিদ্ধান্ত দেওয়া হলে তা “Non-application of Mind” বা যথাযথ বিবেচনা ব্যতিরেকে গৃহীত প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।
    এখন জনমনে একটাই প্রশ্ন—অভিযোগে উত্থাপিত অনিয়ম, নিবন্ধনের বৈধতা ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের বিষয়গুলো কি যথাযথভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে, নাকি বিচারাধীন মামলার অজুহাতে নিয়ন্ত্রক দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে?
    এই প্রশ্নের নিরপেক্ষ তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্বচ্ছ ব্যাখ্যাই পারে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করতে এবং স্বাস্থ্যখাতে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে।

    Array
    We use all content from others website just for demo purpose. We suggest to remove all content after building your demo website. And Dont copy our content without our permission.
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ