রাজধানীর মাতুয়াইল এলাকা হতে চাঞ্চল্যকর ধর্ষণ মামলার ০২ জন এজাহারনামীয় আসামি’কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০।
রাজধানীর মাতুয়াইল এলাকা হতে চাঞ্চল্যকর ধর্ষণ মামলার ০২ জন এজাহারনামীয় আসামি’কে গ্রেফতার করেছে র্যাব ১০। গত ০৪/০৫/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ২৩.০০ ঘটিকায় ডিএমপি, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানাধীন মাতুয়াইল এলাকায় বসবাস কারী মো: সালাউদ্দিনের বাড়িতে গিয়ে আসামি মো: রাকিব হোসেন (২৫) ও জাহেদুল ইসলাম অনিক (৩২)‘দ্বয় সহ ৭/৮ জন ব্যক্তি সালাউদ্দিন এবং তার স্ত্রীকে এলোপাথাড়ি মারধর করে এবং নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার’সহ প্রায় ২২,০০,০০০ (বাইশ লক্ষ) টাকার মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যায়। ভিকটিম মো: সালাউদ্দিন’কে রুমে আটকে রেখে অজ্ঞাতনামা একজন আসামি ভিকটিমের স্ত্রীকে ধর্ষণ করে। উল্লেখ্য, ধৃত আসামি জাহেদুল ইসলাম অনিক প্রায় চার বছর পূর্বে ভিকটিমের নিকট হতে টাকা হাওলাদ নেয়। ভিকটিম টাকা ফেরত চাইলে মো: রাকিব হোসেন ও জাহেদুল ইসলাম অনিক’সহ ৭/৮ জন ব্যক্তি মিলে উক্ত ঘটনা সংঘটিত করে।
এ ঘটনায় গত ১৯/০৫/২০২৬ তারিখে ভিকটিম ডিএমপি, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানায় এজাহার দায়ের করলে যাত্রাবাড়ী থানার মামলা নং- ৯৪, তারিখ- ১৯/০৫/২০২৬ ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এর ৯(১)/৩০ তৎসহ ৪৩/৪৪৮/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৩৮০/৪২৭/১১৪/১৬৫ পেনাল কোড ১৮৬০ রুজু হয়। উক্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলার ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে অধিনায়ক, র্যাব-১০, ঢাকা বরাবর একটি অভিযোগ পত্র প্রেরণ করেন। উক্ত অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে র্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল আসামিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে।
এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ১১/০৬/২০২৬ তারিখ সকাল অনুমান ১১.৪০ ঘটিকায় র্যাব-১০, সদর কোম্পানি এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ডিএমপি, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানাধীন মাতুয়াইল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উল্লেখিত ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামি মো: রাকিব হোসেন (২৫), পিতা- আমির হোসেন, সাং- বাশবাড়িয়া, থানা- দশমিনা, জেলা- পটুয়াখালী ও জাহেদুল ইসলাম অনিক (৩২) পিতা- মৃত নজরুল মেম্বার, সাং- ধার্মিকপাড়া, থানা- ডেমরা, ডিএমপি ঢাকা’দ্বয়কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামিদ্বয়ের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। র্যাব-১০ এ ধরনের নৃশংস ও অমানবিক অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে আসছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব সর্বদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
Array