• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • মিরপুরে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে চাঁদা দাবি: মা- ছেলেকে ৪ ঘণ্টা জিম্মি করে টাকা লুটের ঘটনায় গ্রেফতার ১, অপর আসামিকে ছাড়িয়ে নেওয়ার অভিযোগ 

     adminj 
    29th Jun 2026 8:08 am  |  অনলাইন সংস্করণ

    স্টাফ রিপোর্টার :-  রাজধানীর মিরপুরের দারুসসালামে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে ২ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি ও এক নারীকে তার সন্তানসহ ৪ ঘণ্টা জিম্মি করে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।

    এই ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী মামলা দায়েরের পর পুলিশ প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে। তবে এক আসামিকে থানা থেকে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ছাড়িয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক নেতার বিরুদ্ধে।
    এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, দেশজুড়ে দলের নাম ব্যবহার করে কোনো প্রকার চাঁদাবাজি বা অপকর্ম না করার ব্যাপারে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব ও তারেক রহমানের কঠোর নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও কিছু নামধারী ব্যক্তি এই অপকর্মে লিপ্ত রয়েছে।
    মধ্যরাতে ফ্ল্যাটে হানা, মা- ছেলেকে অস্ত্র ঠেকিয়ে জিম্মি
    মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ জুন ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১টার সময় দারুসসালাম থানাধীন ছোট দিয়াবাড়ি এলাকার ৩৫ নম্বর বাড়ির চতুর্থ তলায় ফরিদা পারভীনের ফ্ল্যাট বাসায় দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে একদল চাঁদাবাজ প্রবেশ করে। সন্ত্রাসী বাহিনীটি ফরিদা পারভীন ও তার সন্তান মোঃ রাব্বির গলায় ধারালো অস্ত্র ঠেকিয়ে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে।
    অভিযুক্তরা হলেন— মোঃ ফরহাদ হোসেন (৩০), মোঃ শরিফ (২২), মোঃ ফরিদ (২৫), মোঃ শিপু (২৬), মোঃ রায়হান (২৩), মোঃ সাদাফ (২১), মোঃ রিপন (৩০), মোসাঃ তারা বেগম (৩৫), মোঃ সুমন ও অজ্ঞাতনামা আরও ৭/৮ জন।
    সন্ত্রাসীরা গভীর রাতে পুরো ঘরে তল্লাশি চালিয়ে ফরিদা পারভীনের জমানো একটি প্লাস্টিকের ব্যাংক ভেঙে ১০ হাজার ৫০০ টাকা লুটে নেয়। ভোর ৫টা পর্যন্ত দীর্ঘ ৪ ঘণ্টা মা ও ছেলের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হয় এবং সকাল ১০টার মধ্যে বাকি টাকা না দিলে সন্তান রাব্বিকে হত্যার হুমকি দিয়ে তারা চলে যায়।

    ধার করে আনা চাঁদার টাকা আদায় ‘বিএনপি ক্লাবে’
    সকালে ভুক্তভোগী ফরিদা পারভীন নিরুপায় হয়ে সাভারে আত্মীয়দের কাছ থেকে টাকা ধার করে সকাল ১০টায় বাসায় ফেরেন। বাসায় পৌঁছামাত্রই চাঁদাবাজরা তাকে দিয়াবাড়ি ট্রাফিক বক্সের পাশে কথিত ‘বিএনপির ক্লাবে’ টাকা নিয়ে যেতে বলে। ফরিদা পারভীন সেখানে যেতে অস্বীকৃতি জানালে, তাকে পাশের একটি বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে মোঃ ফরহাদ হোসেন, মোঃ শরিফ, মোঃ ফরিদ ও মোঃ সুমন মিলে জোরপূর্বক দাবিকৃত চাঁদার আরও ৯০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।
    মোট ১ লক্ষ ৫০০ টাকা দেওয়ার পরও বাকি ১ লক্ষ টাকার জন্য ফরিদা পারভীন ও তার পরিবারকে ক্রমাগত হুমকি ও চাপ দিতে থাকে এই চক্রটি। চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে ফরিদা পারভীন স্থানীয়দের পরামর্শে থানার শরণাপন্ন হন।
    থানায় মামলা: ১ জন গ্রেফতার, অপরজনকে ছাড়িয়ে নেওয়ার অভিযোগ। গত ১৮ জুন ২০২৬ তারিখে ফরিদা পারভীন বাদী হয়ে দারুসসালাম থানায় একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং- ১৮/৯৫)। মামলার পর পুলিশ ছোট দিয়াবাড়ি এলাকার স্থানীয় জনগণের সহায়তায় ১নং আসামি মোঃ ফরহাদ হোসেন ও অপর অভিযুক্ত সুমনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
    তবে অভিযোগ উঠেছে, আটকের কিছুক্ষণের মধ্যেই দারুসসালাম থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের পদধারী নেতা মোঃ হাফিজুর রহমান হাফিজ সদলবলে থানায় হাজির হন। তিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ দুলালের কাছে দলীয় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে গভীর রাতেই অভিযুক্ত আসামী সুমনকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে যান ।
    পরদিন সকালে পুলিশ ১নং আসামি মোঃ ফরহাদ হোসেনকে আদালতে প্রেরণ করে। তবে অপর আসামিকে এভাবে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারটি এখন বাকি আসামিদের গ্রেফতার ও নিজেদের নিরাপত্তার দাবি জানাচ্ছেন।

    Array
    We use all content from others website just for demo purpose. We suggest to remove all content after building your demo website. And Dont copy our content without our permission.
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ