মর্যাদাপূর্ণ ‘জাগ্রত গ্লোরি অ্যাওয়ার্ড’-এ ভূষিত হয়েছেন সাংবাদিক সুমন চৌধুরী।
মো: মাঈন উদ্দীন :- সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়, এটি সমাজের প্রতি
এক গভীর দায়বদ্ধতা। সত্যকে নির্ভীকভাবে তুলে ধরা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলম ধরার সাহস এবং জনমানুষের কণ্ঠস্বরকে সামনে আনার যে মহান আদর্শ—সেই আদর্শের একজন নিষ্ঠাবান প্রতিনিধি হলেন সাংবাদিক সুমন চৌধুরী।
সম্প্রতি তিনি মর্যাদাপূর্ণ ‘জাগ্রত গ্লোরি অ্যাওয়ার্ড’-এ ভূষিত হয়েছেন। পেশাগত জীবনে সততা, নিষ্ঠা, দায়িত্ববোধ এবং সত্য প্রকাশের প্রতি অবিচল অঙ্গীকারের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। এই অর্জন শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; এটি নীতিনিষ্ঠ সাংবাদিকতারও এক অনুপ্রেরণাদায়ক স্বীকৃতি।
গত ২৬ জুন কেন্দ্রীয় কচিকাঁচার মেলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত “জাগ্রত ব্যবসায়ী ও জনতা বাংলাদেশ” কেন্দ্রীয় কমিটির অভিষেক ২০২৬–২০২৮ ও জাগ্রত গ্লোরী অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি খন্দকার রুহুল আমিন সিআইপি, উদ্বোধক এ্যড. ইলতুতমিস সওদাগর এ্যানী প্রধান বক্তা মাহাবুব হাসান সরকার, প্রধান আকর্ষণ প্রাইমএশিয়া ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর ড. এ এন এম মিশকাত উদ্দিন আহমেদ বিশেষ অতিথি ডন বস্কো স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপাল লস্কর নাহার সহ দেশের বিভিন্ন সমাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জমকালো এই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব৷ করেন জাগ্রত ব্যবসায়ী ও জনতা বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জাগ্রত মহানায়ক শিহাব রিফাত আলম। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন জাগ্রত ব্যবসায়ী ও জনতা বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির নবনির্বাচিত ডায়নামিক সেক্রেটারি জেনারেল রাকিবুর রহমান মাহবুব ও এটিএন বাংলা নিউজ পেজেন্টার বর্ষা ইসলাম।
সাংবাদিক সুমন চৌধুরী ভবিষ্যতেও তাঁর মেধা, সততা ও নিরলস কর্মপ্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশ ও সমাজের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। তাঁর এই সম্মাননা আরও অনেক তরুণকে সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চায় উদ্বুদ্ধ করবে এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক, সচেতন ও মানবিক সমাজ গঠনে নতুন প্রেরণা যোগাবে।উল্লেখ্য যে সুমন চৌধুরী এযাবত দৈনিক সমকাল, আমাদের সময়, আমাদের অর্থনীতি,ডিজিটাল সময়,তারকা কাগজ,স্বচিত্র সময়, গনকন্ঠ, নতুন সময় পত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন সুমন চৌধুরী বর্তমানে দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন এর আগে তিনি দৈনিক ভোরের পাতার চীফ রিপোর্টার ছিলেন।
সুমন চৌধুরীর সাংবাদিকতার মূল শক্তি হলো সত্য অনুসন্ধানের দৃঢ় মনোভাব। তিনি বিশ্বাস করেন, সংবাদ কেবল তথ্য পরিবেশন নয়; এটি সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি, ন্যায়বিচারের পক্ষে অবস্থান নেওয়া এবং মানুষের আস্থা অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তাঁর লেখনী ও প্রতিবেদন পাঠকের মধ্যে বিশ্বাস, সচেতনতা এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা পৌঁছে দেয়। ‘জাগ্রত গ্লোরি অ্যাওয়ার্ড’ প্রাপ্তি প্রমাণ করে যে নিষ্ঠা, সততা এবং কর্মের প্রতি একাগ্রতা কখনোই বিফলে যায়না। এই সম্মাননা ভবিষ্যতে তাঁকে আরও দায়িত্বশীল ও সাহসী সাংবাদিকতার পথে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে। আজকের প্রজন্মের জন্য সুমন চৌধুরী একটি অনুকরণীয় উদাহরণ। তিনি দেখিয়েছেন, সত্য ও ন্যায়ের পথে অটল থাকলে সম্মান ও স্বীকৃতি একদিন অবশ্যই আসে। তাঁর কর্মজীবন নতুন সাংবাদিকদের জন্য সাহস, সততা ও পেশাগত নৈতিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
সাংবাদিক সুমন চৌধুরী ভবিষ্যতেও তাঁর মেধা, সততা ও নিরলস কর্মপ্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশ ও সমাজের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। তাঁর এই সম্মাননা আরও অনেক তরুণকে সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চায় উদ্বুদ্ধ করবে এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক, সচেতন ও মানবিক সমাজ গঠনে নতুন প্রেরণা যোগাবে।
Array