• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • র্নীতির অভিযোগে রাজৈর ইউপি চেয়ারম্যান চায়না বেগমকে অব্যাহতি, প্রশাসক নিয়োগের প্রস্তুতি 

     adminj 
    06th Jun 2026 7:17 am  |  অনলাইন সংস্করণ

    স্টাফ রিপোর্টার :শরীফুল ইসলাম : -মাদারীপুর জেলাধীন রাজৈর উপজেলার রাজৈর সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান চায়না বেগমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক। তথ্য না দিয়ে উল্টো সংবাদকর্মীদের হুমকি এবং পরবর্তীতে তাঁদের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবরে মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগ দেওয়ায় ফেঁসে গেলেন তিনি। তাকে এ কাজে সহযোগিতা করেছেন ধান্দাবাজ সাংবাদিক খোন্দকার আব্দুল মতিন, নাজমুল কবীর, কাজী নজরুল ইসলাম ও শহিদুল আলম টুকুসহ কয়েকজন কুচক্রী মহল। বর্তমানে মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে রাজৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট স্মারক সম্বলিত একটি চিঠি এসেছে। রাজৈর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান চায়না বেগমকে অব্যাহতি দিয়ে প্রশাসক নিয়োগের জন্য বলা হয়েছে।

    জানা যায়, রাজৈর উপজেলার রাজৈর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ শূন্য হওয়ার পর চায়না বেগমকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি স্বার্থ হাসিলের লক্ষ্যে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ইউপি ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্স, উন্নয়ন প্রকল্প, টিআর, কাবিখা ও কাবিটাসহ সব কার্যক্রম তিনি নিজের ইচ্ছেমতো পরিচালনা করছেন। এছাড়া মাসিক সমন্বয় সভা না করে রেজুলেশন খাতায় স্বাক্ষর নেন। তার বিরুদ্ধে ট্যাক্সের টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ, স্বাক্ষর জালিয়াতি করে প্রকল্পের টাকা উত্তোলন, মসজিদ সংস্কারের নামে অর্থ আত্মসাৎ, সেই সঙ্গে প্রতিবন্ধী, বিধবা ও বয়স্ক ভাতার কার্ড দেওয়ার কথা বলে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া টিউবওয়েল দেয়ার কথা বলে কারো নিকট থেকে ৫ হাজার আবার কারো কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়েছে। এদিকে তিনি পরিষদে অনিয়মিত থাকায় পরিষদের কার্যক্রমে ভাটা পড়েছে। বিশেষ করে বেশি হয়রানির শিকার হচ্ছেন নাগরিকত্ব সনদ, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স, ওয়ারিশ সনদ ও জরুরি সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ। তাদের নিকট হতে ২ হাজার টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত নেন। এছাড়া বিভিন্ন সময় তিনি সাধারণ মানুষ সাথে খারাপ আচরণ করেন। দীর্ঘদিন ধরে ওই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রামীণ অবকাঠামো প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ, টাকার বিনিময়ে ওয়ারিশ সনদ ও প্রত্যয়নপত্র প্রদান এবং ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের কক্ষ ভাড়া দিয়ে সেই টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। উক্ত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান চায়না বেগমকে প্ররোচিত করে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগ ও অপপ্রচারের অভিযোগে চায়না বেগমসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করা হয়েছে। যা বর্তমানে কোর্টের অনুমোদন নিয়ে তদন্তাধীন রয়েছে।

    Array
    We use all content from others website just for demo purpose. We suggest to remove all content after building your demo website. And Dont copy our content without our permission.
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ