• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • রাজৈরে তীব্র লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন, রাতজুড়ে চরম ভোগান্তি 

     adminj 
    19th Jun 2026 8:15 am  |  অনলাইন সংস্করণ

    স্টাফ রিপোর্টার, শরীফুল ইসলাম :-: মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলাজুড়ে তীব্র তাপদাহ ও ভ্যাপসা গরমের মধ্যে লাগামহীন ও অনিয়মিত লোডশেডিংয়ে জনজীবন চরম দুর্ভোগে পড়েছে। একদিকে অসহনীয় গরম, অন্যদিকে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ, হতাশা ও উদ্বেগ বাড়ছে।

    বর্তমানে রাজৈর উপজেলা সদর ও টেকেরহাট বন্দর সংলগ্ন বাণিজ্যিক এলাকাগুলোতে গড়ে এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহের পর প্রায় এক ঘণ্টা লোডশেডিং চলছে। তবে রাতের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। দীর্ঘ এক ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকার পর বিদ্যুৎ এলেও তা মাত্র ১০ থেকে ১৫ মিনিট স্থায়ী হচ্ছে। এরপর পুনরায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় তীব্র গরমে সাধারণ মানুষের রাতের ঘুম হারাম হয়ে পড়েছে।

    স্থানীয় ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তীব্র গরমের মধ্যে বিদ্যুতের এই ‘লুকোচুরি’ খেলায় শিশু, বৃদ্ধ ও রোগীরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। অনেকেই গরমজনিত নানা সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন। ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে বাসাবাড়ির ফ্রিজে সংরক্ষিত খাদ্যদ্রব্য নষ্ট হচ্ছে। বিশেষ করে টেকেরহাট বন্দর এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও কার্যক্রম সচল রাখতে হিমশিম খাচ্ছে।

    এ বিষয়ে টেকেরহাট পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. আনসার উদ্দিন বলেন, “রাজৈর উপজেলা ও আশপাশের এলাকায় বর্তমানে বিদ্যুতের মোট চাহিদা প্রায় ২৪ মেগাওয়াট। কিন্তু জাতীয় গ্রিড থেকে প্রতিদিন মাত্র ৮ থেকে ৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় মাত্র ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়ে প্রায় ৬০ শতাংশের বেশি লোডশেডিং করতে হচ্ছে।”

    রাতের বেলায় স্বল্প সময়ের জন্য বিদ্যুৎ এসে আবার চলে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি আরও বলেন, “সরবরাহ ও চাহিদার বিশাল ব্যবধানের কারণে পর্যায়ক্রমে একেকটি ফিডার এক থেকে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত বন্ধ রাখতে হচ্ছে। এলাকাভিত্তিক রোস্টার মেনে লোডশেডিং পরিচালনার পরও বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম থাকায় বিদ্যুৎ আসার সঙ্গে সঙ্গে লাইনে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে তা ট্রিপ করছে। হাসপাতাল ও জরুরি সেবাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে কিছুটা অগ্রাধিকার দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও সামগ্রিক ঘাটতি এত বেশি যে গ্রাহকদের পুরোপুরি স্বস্তি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।”

    স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, তীব্র গরমের এই সময়ে দীর্ঘস্থায়ী ও ঘন ঘন লোডশেডিং জনজীবনকে অসহনীয় করে তুলেছে। তাই বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি।

    Array
    We use all content from others website just for demo purpose. We suggest to remove all content after building your demo website. And Dont copy our content without our permission.
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ