দুই ভাই কে অপহরণের পর উদ্ধারে ঘরিমসি, মামলায় ঘরিমসি,আমমি দরার ক্ষেত্রেও ঘরিমসি
নোয়াখালীর জেলা প্রতিনিধি : – দুই ভাই কে অপহরণের পর উদ্ধারে ঘরিমসি, মামলায় ঘরিমসি,আমমি দরার ক্ষেত্রেও ঘরিমসি। নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় দুই ভাইকে অপহরণের ঘটনায় মামলা হওয়ার প্রায় তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এজাহারভুক্ত প্রধান আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এতে ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে অভিযোগ করেছে।
মামলার এজাহার ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বেগমগঞ্জ উপজেলার ১৬ নম্বর কাদিরপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাদিরপুর গ্রামের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম গত ২৫ জুন হত্যাচেষ্টার অভিযোগ দায়ের করেন। এর জেরে পূর্ব শত্রুতার ধারাবাহিকতায় ২৭ জুন দুপুর আড়াইটার দিকে জাহিদুল হক লিটন ও মোজ্জাম্মেল হক টুটুলের নেতৃত্বে ২০-২৫ জনের একটি দল রফিকুল ইসলামের বাড়িতে হামলা চালিয়ে তাকে ও তার ভাই রনিকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, অপহরণের পর দুই ভাইকে মুক্তি দিতে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করা হয়। বিষয়টি জানার পর বেগমগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুই ভাইকে উদ্ধার করে। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
পরদিন ২৮ জুন বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে ভুক্তভোগীদের মা মাহমুদা খাতুন বেগমগঞ্জ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় মামলা নম্বর-৪২ রুজু করা হয়। কাদিরপুর গ্রামের জাহিদুল হক লিটন (৫০), মোজ্জাম্মেল হক টুটুল (৪৫), মাহিন (২৫), সেনবাগ উপজেলার দেবীসিংহপুর গ্রামের মো. আরিফ (৩৩) এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-২০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, মামলা দায়েরের পরও প্রধান আসামিরা প্রকাশ্যে চলাফেরা করলেও পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এতে তারা চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
তবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই খোরশেদ বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।
Array